Posts

Showing posts from July, 2017
অনেক সুখস্মৃতির ভিড়ে
হারিয়ে যাওয়া ছবির মাঝে
হঠাৎ  তোর সিল্হূ্ট পেলাম
এক পুরোনো বইয়ের ভাঁজে,
তোর চুলের গন্ধ পেলাম
কাঠগোলাপের ভোর
এক মুখ আকাশ পেলাম
রেশমী সুতোর ডোর,
অনেক ছবির মাঝে
হঠাৎ তোর সিল্হূট পেলাম
এক পুরোনো বইয়ের ভাঁজে।
When the dust settles down in the western front
And the evening slowly descends
I think I love to bask
In the city's antiquity,
Ahmedabad,
You have for ages lured people
Of all age and caste
To come to you,
And to be enthralled by your colored things,
Little trinkets and cholis,
And the sandstone red
Architectural marvels
Dating back to eleventh century
All telling your richness , your beauty ,Now when I walk down your streets
How I am taken back to your aweinspiring wonders,Right through your bosom
How runs the river
And how your eastern side with Pols and bazaars appears
As the flagbearer of your hoary tradition,
While on your west
Glitz and glamour shine
And highways run to meet the horizon.
চল্ হেঁটে যাই বিকেলের পথ
আদুরে আলোয় মাখা
দিনশেষে আরও একবার
তোর সাথে একা
গাছেদের কথা ফিস্ ফিস্
ঘাসের জলজ ঘ্রাণ
চল্ হেঁটে যাই আরও একবার
আদুরে আলোয় করি স্নান।
জোনাক আলোয় হোক খাক্
তোমার আমার রাত
তবু এসো রাত্রি বেশে
শুধু আমায় ভালোবেসে
ভেবেছিলাম একটা প্রেমের কবিতা লিখব।  বেশ আটপৌরে । লম্বা এক ঝুলবারান্দা আর তার ঠিক গা ঘেঁষে একটা ছিপছিপে তেঁতুল গাছ।  বারান্দায় উড়তে দেখা যাবে এক লাল টুকটুকে সোনালি  পাড়ের শাড়ি।  কোনো এক বসন্তের সকালে সেই বাড়ীর পরম আদরের মেয়ে বারান্দায় আসবে আনমনে গানের কলি গাইতে গাইতে। ওই বাড়ীরই একতলায় সেই অষ্টাদশী মেয়ের কাকার ঘর থেকে ভেসে আসবে আকাশবাণী কলকাতার প্রাত্যহিকী। মেয়েটি হঠাৎ ই দেখবে ঢোলা  পাজামা পান্জাবী পরিহিত এক যুবক চলেছে দ্রুত সাইকেল চালিয়ে রাস্তা দিয়ে। সকাল আট্টা আটের ট্রেন তার মানে এখনো যায়নি,ভাববে মেয়েটি।  আর নিজের মনেই বলবে ‘কবে যে একটু কায়দার পোষাক পরতে শিখবে বকুরাম’। বলেই সে মুখ ঘুরিয়ে বারান্দায় ঝোলানো দেওয়াল ঘড়ির দিকে তাকাবে আর বলবে ‘দুগ্গা দুগ্গা’।
ছেলেটিও একটিবারের জন্যে ওপরের দিকে তাকিয়ে চাপ বাড়াবে সাইকেলের প্যাডেলে।
‘আজ বিকেলে ফেরার সময় চৌরুঙ্গীর এম বিশ্বাস এ্যান্ড সিম্ফোনী থেকে এলপিটা কিনতে হবে। সেই এলপিটা যাতে আছে বড়ে গোলাম আলীর গান। ’ ছেলেটা ভাবতে ভাবতে পৌঁছোবে স্টেশনে।
‘ইস্ সেদিন রুম্পাদের বাড়ীতে কি সুন্দর গেয়েছিল বকুরাম। ’মেয়েটা ছেলেটির চলে যাওয়া অবয়ব দেখতে দেখতে ভাববে।…
Image
জলে ভেজা জানালার কাঁচ
দেখছিল শ্রাবণের সাঁজ
ল্যাম্প পোস্টের হালকা আলোয়
বিন্দু জলের অল্প ছোঁয়াচ।
Image
বৃষ্টি ভেজা দিনদুপুরে কার লাগে ভালো বলভাঙা ছাতা আর নিঝুম বাসস্টান্ড হাঁটুর কাছে জল,
বৃষ্টি ভেজা দিনদুপুরেকার লাগে ভালো বলরেলিং ঘেঁষে গোলাপ ভেজেচোখের কোণে জল,
বৃষ্টি ভেজা দিনদুপুরে কার লাগে ভালো বল ।
Image
চেস্টার ও হে
সেই ত গাইলে
ফাইনাল মাসকারে(ড)...
এর পর ত ‘বর্ষামঙ্গল’লিখে ফেল্বি”—বলেছিল সে। মুখ টিপে হেসে। সবে মাত্র  তাকে শুনিয়েছি এক শহুরে বর্ষামুখর গান। “তা নয় হল,কিন্তু তাতে কি বরষা আমার প্রেয়সী  হবে? তার কতো প্রেমিক তুই জানিস্? কত যুগ ধরে কত কবি গেয়ে গেল তার গান। কত আঁকিয়ে তুলির টানে তাকে সাজালো। আমি আর কি এমন। ” খানিক অভিমান নিয়ে বলেছিলাম। সে কি বুঝেছিল কে জানে।
“ওই দ্যাখ্!” বলে সে আমায় দেখিয়েছিল এক শ্রাবণ বিকেলের পশ্চিমাকাশ। এক পশ্লা বৃষ্টির পর অস্তগামী সূর্যের গোলাপী হলুদ গেরুয়া আভা যেন আঁকছিল এক রুপকথা। আর সেই রুপকথার খানিক ছোঁয়াচ  এসে পড়ছিল তার কপালে গালে চিবুকে। আমি আরেকবার ঝিরঝিরে রুপালী জলবিন্দু হতে চাইছিলাম ভীষণ। শুধু তার হয়ে থাকবো বলে। আমার বরষার।

A journey into the misty woods

When the day was so filled with calm
And when rain had finally  to the hills come,
Asked her to make a journey with me
Into the woods unknown moist and misty,She haply agreed and nodded her head
To go with me through the road that bred
Half visible wonderous serene sights
Covered by translucent curtain white,We heard the chirpings of cicadas true,
held on palms nascent drops of dew,
And as we our journey thus made
Through woods by mist so laid-We thought we found us as if new
Given perhaps another birth long due
We thought we had a tryst with trees
Which held many myths and mysteries,The songs of hills , the murmur of streams,
Finding God in pantheistic dreams,
All came and descended upon us
Through the woods of mist as we passed.

Standing before her

So many days have gone by
As months came and away did fly
Still every time if somehow I get a chance
To stand before her and have a glance
At her flowering state, her beauteous sight-
How am I filled with simple poetic light
And think of so many little things
That can easily happy memories bring
Like a day spent in listening to songs
Of autumn and spring and summer long
Like a night watching the canopy of sky
Starry , magical where dreams doth lie,So many days have gone by
As months came and away did fly,
Still every time if by chance I stand
Before her and the green lushy land
How am I taken to a different plane
Of love and longing and poetic vein,
How am I reminded of simple little things
That only slideshow of memories bring-
A smile of beloved, a naughty look,
A drop of rain on a page of a book,
A whispering tone , soft cuddling up,
One winter to celebrate, a warm coffee cup,So many days have gone by
As months came and away did fly.
It was pretty late in the evening
When the train chugged into the station,
Abhinav was then having his coffee
And watching how the rain and mist created a translucent curtain outside,
He thought he heard the gong of a grand clock announcing time,Just then he noticed two figures
Drenched to skin, each other tightly
embracing,
It had been wonderous to witness
Such a poetically eloquent scene
Unfolding before his eyes,
Water dripping down the glass of the window made outside blurry,
But that slight indistinctiveness had its own expression -
An expression which could oft be found in slides of photos
Or in cinematic frames,
Abhinav was reminded of different allusions
Like passages he had read in novellas,
Like songs he had heard in his youth with earnest heart and keen ears,
Like paintings he had dreamt of conceiving,He was reminded of a woman too,A woman who had once made him to
Kneel right on a platform one rainy evening,
Right before her.
বৃষ্টির সাথে ভাব  না করে  উপায়  আছে ?একটু কথা  কাটাকাটি  হল কি হল না,অমনি সে জুড়বে কান্না , আর সে যদি একবার উল্টিয়ে ঠোঁট  ধরে মেঘমল্লার তাহলে আর দেখতে হবে না। বাড়ির উঠোন  ছাপিয়ে  তার কান্না পৌঁছোবে এক্কেবারে বাগানে। সেখানে  জল থই  থই ।  তারপর আম ,জাম,কাঁঠাল  গাছেদের কাছে নালিশ  শেষে সোজা রাজপথ ।  তারপর রাস্তা ধরে এপাড়া ওপাড়া ঘুরে শেষ মেষ নদীর সাথে দেখা করে সব রাগ  অভিমানের উপযুক্ত  বহিঃপ্রকাশ। বৃষ্টি আর  নদী ।  দুই মহাঅভিমানি মেয়ে। এদের যারা কাছ থেকে দেখেছে, হাজার ভয় সত্ত্বে ত্ত এদের ভালোবেসেছে। এক দুর্নিবার আকর্ষণে ছুটে গেছে ওদের কাছে। জলে ভিজে একাকার ।  জলের স্পর্শে কেঁপেছে। তবু জলকেই ভালোবেসেছে আর গেয়েছে প্রাণ ভরে বরষার গান। জলমগ্ন শহরে নৌকার  দাঁড় হাতে সেজেছে মাঝি। জলের ওপর আলোর ছবিআঁকা দৃশ্য তখন হয়েছে তার স্বপনের চাবিকাঠি যা দিয়ে সে দিয়েছে পাড়ি তার ভালোলাগার জগতে।বৃষ্টির সাথে ভাব না করে উপায় আছে?